মিডিয়ার ঢাক, সেটিং-এর পাক, বাংলা গোল্লায় যাক!

শমীক লাহিড়ী
ইভিএম কেলেঙ্কারি বা আদানি কাণ্ড নিয়ে সংসদের ভেতরে নরেন্দ্র মোদীকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করে, তৃণমূল তখন কায়দা করে আলাদা হয়ে যায়। তারা বলে, ‘আমরা কারো লেজুড় নই’। তারা গিয়ে গান্ধী মূর্তির নিচে একা একা ধরনা দেয়।

আসুন, এই আজব ‘ছায়া যুদ্ধ’-এর কয়েকটা রসালো অধ্যায় উল্টে দেখি—
ওয়াশিং মেশিন অ্যান্ড কলঙ্ক মোচনের মহাকাব্য
গঙ্গায় স্নান করলে পাপ ধুয়ে যায় কি না জানি না, তবে বিজেপি কোম্পানির ‘ওয়াশিং মেশিন’ যে দারুণ কাজ করে, তা সাদা চোখেই দেখা যায়। গতকালও যিনি ‘চোর’, আজ তিনি ‘সাধু’। গতকালও যিনি ছিলেন ‘দুর্নীতির নর্দমা’, আজ তিনি ‘সততার গঙ্গাজল’। মেশিনটা এমনই — ঢুকলেই কালো হয় সাদা, অভিযুক্ত হয়ে যান সম্মানিত! অনেকটা হযবরল-এর ‘ছিল রুমাল, হয়ে গেল বিড়াল’-এর মতো ব্যাপার আর কী!
আর ফাইল? সে ভ্যানিশ! ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি শ্রীরামপুরের জনসভায় বলেছিলেন – ক্ষমতায় এসে দুর্নীতিবাজ সব তৃণমূল নেতাকে জেলে ঢোকাবেন। ঢোকালেন বটে – তবে জেলে নয় – নিজের দলে। ঢোকালেন সেই মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারিকেই! সোজা বিজেপি’র খোঁয়াড়ে গিয়ে চিত্তশুদ্ধি আর মামলা মুক্তি। আরও অবাক কাণ্ড, সিবিআইয়ের জ্যান্ত ফাইলগুলো তখন কোমায় চলে যায়। সিবিআই-ইডি একসময় এদের বাড়ির দরজায় ধাক্কা মারতো, আর বশংবদ মিডিয়াকুল ঘন্টায় ঘন্টায় তার রূদ্ধশ্বাস রানিং কমেন্ট্রি দিত। আপনিও রোমাঞ্চিত হতেন। এখন তারাই সফেদ সাধু। একেই বলে — ‘পাপমুক্তি প্যাকেজ’। মিডিয়াও আর উচ্চবাচ্য করে না, মুখে কুলুপ। চমৎকার! কী ভীষণ কিউট না!
নারদা ও সেই রহস্যময় ‘আদবানি-টনিক’
নারদা স্টিং অপারেশন! আহা, কী দৃশ্য! ক্যামেরার সামনে প্রকাশ্যে নোটের বান্ডিল দেওয়া হচ্ছে। কেউ শুয়ে, কেউ স্যান্ডো গেঞ্জে পড়ে, কেউ ধন্যবাদ জানিয়ে সেই ঘুষ ভক্ষণ করছেন - সারা ভারত হাঁ করে সেই ভিডিও দেখল। বাঙালির গর্বের সংস্কৃতিতে তৃণমূলের দিগন্ত উন্মোচনকারী নতুন পালকের সংযোজন। ভিডিও আছে, ক্যামেরা আছে, প্রমাণ আছে — সব আছে, শুধু ‘দেখার চোখটা’ নেই। ইডি-সিবিআইয়ের চোখে ঠুলি! এমনকি নীতির ধ্বজাধারী, এল কে আদবানি যখন এথিক্স কমিটির চেয়ারে বসলেন, সবাই ভাবল এবার বুঝি ধর্মের কল বাতাসে নড়বে। কিন্তু কিসের কী! আদবানি হঠাৎ অন্ধ ধৃতরাষ্ট্র! পুরো তদন্তটাই ভ্যানিশ। বিজেপি’র জাদুদণ্ড ছুঁলেই তদন্ত ভ্যানিশ!
প্রেসার কুকার ও রাজনীতি
তলব হচ্ছে, জেরা হচ্ছে, রোজ ইডি-সিবিআইয়ের অফিসে যাতায়াত — একেবারে ডেইলি প্যাসেঞ্জারের মতো নিয়মিত। কিন্তু ফল? লবডঙ্কা! এটা আসলে প্রেসার কুকার — মাঝে মাঝে সিটি বাজে, আপনি ভাবেন — ডাল সেদ্ধ হচ্ছে! আসলে ভিতরে শুধু গরম হাওয়া। বেআইনি গরু, কয়লা, বালি, পাথর — পাচার হচ্ছে দেদার। ‘ভাইপো’ও তাঁর সাঙ্গোপাঙ্গদের তলব একদম ঘড়ি ধরে। তবে ইডি-সিবিআই অফিস যেন তাদের শ্বশুর বাড়ি, গেলেই জামাই আদর! আসলে প্রেসার কুকারের ভাপে তৃণমূলকে একটু নরম রাখা হয় মাত্র। চূড়ান্ত অ্যাকশন? সে তো ভাই অমাবস্যার চাঁদ! ওটা কেবল রাজনৈতিক ব্ল্যাকমেইল, আর কিচ্ছু নয়।
আসল মাথা ও সেই গোপন ‘মউ’
পার্থবাবু আর মানিকবাবু জেলখানায় বসে মশা তাড়াচ্ছেন, এটা দেখে পাবলিক খুব হাততালি দিয়েছিল। কিন্তু মশাই, আসল জহুরিরা কোথায়? ডালপালা কেটে গাছ মরে না, শিকড় কাটলে তবেই কাজ হয়। কিন্তু সেই শিকড়ে পৌঁছনোর আগেই — দিল্লির ফোন-ধমক-হেঁচকি! ব্যস — সব ফোঁসফাঁস শেষ। দিল্লি আর কলকাতার মধ্যে এমন এক অদৃশ্য কিন্তু অতি শক্তিশালী গোপন ‘মউ’স্বাক্ষর হয়েছে যে, তদন্তের লক্ষ্মণরেখা ওই গণ্ডির বাইরে বেরোতে গেলেই সিবিআই অফিসারদের হেঁচকি ওঠে। একেই বলে ‘সেফ প্যাসেজ’। ছোট মাছকে জালে ধরো, বড় মাছকে নদীতে খেলে বাড়তে দাও।
অর্জুন সিংয়ের ‘দুর্নীতি-দোলনা’
ভাটপাড়ার অর্জুনবাবু কখনো এদিকে, কখনো ওদিকে। ওনার দলবদলের গ্রাফ আর দুর্নীতির মামলাগুলোর সক্রিয়তা ঠিক যেন ঘড়ির পেন্ডুলাম। উনি যখন তৃণমূলে ফেরেন, বিজেপি বলে —‘চোর’। উনি যখন বিজেপিতে যান, তৃণমূল বলে —‘গদ্দার’। উনি কলির কেষ্ট হয়ে দোলনায় দোলেন। দল বদল মানেই — শেয়ার বাজারের মতো কেসের ওঠানামা। আজ গেরুয়া, কাল সবুজ! বিজেপি’র ওয়াশিং মেশিনে ঢুকলেই সবাই সফেদ গাই। আবার তৃণমূলের কুলে ফিরলেই বিজেপি’র পোষ্য ইডি-সিবিআই অমনি তাঁর বাড়ির দরজায় কড়া নাড়তে শুরু করে। সুবিধাবাদী সেটিংয়ের এর চেয়ে নিখুঁত এবং হাস্যকর উদাহরণ আর হয়! পাবলিক সবই বোঝে।
ওয়াকআউট ম্যাজিক
ভোট না দেওয়াও যে এক শিল্প — তা এই দু’দল প্রমাণ করে দিয়েছে। ঠিক সময়ে অনুপস্থিত, ঠিক সময়ে ওয়াক আউট — উফফ্ কি টাইমিং! শচীন–বিরাটও শিশু! ব্যস! বিল পাস, কাজ হাসিল। সংসদে যখন কোনো অতি বিতর্কিত বিল আসে যেমন জিএসটি, নোটবন্দি বা ৩৭০ ধারা বিলোপ — তৃণমূল কংগ্রেসের ভূমিকা হয় দেখার মতো। সরাসরি সমর্থন করলে তো মানুষের কাছে মুখ দেখানো যাবে না, তাই তাঁরা হঠাৎ ‘অসুস্থ’ হয়ে কক্ষত্যাগ করেন। একেই বলে ‘ওয়াকআউট ম্যাজিক’। কক্ষত্যাগ মানে ‘ম্যাজিক ফিগার’ অর্থাৎ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবার প্রয়োজনীয় সংখ্যা কমে গেল, আর বিজেপি অনায়াসেই তাদের বিল পাস করিয়ে নিল। বাইরে দিদির হুঙ্কার বিজেপি’র বিরুদ্ধে, আর ভেতরে পর্দার আড়ালে মোদি’র হাত শক্ত হচ্ছে। একেই বলে — ‘সাপও মরল, লাঠিও আস্ত!’ আর আপনি ভেবে ভেবে কুল পান না!
রিমোট কন্ট্রোল ও কচ্ছপ
ইডি-সিবিআই হলো অনেকটা মেলায় কেনা প্লাস্টিকের খেলনা গাড়ির মতো। ভোটের আগে — রকেট, আর ভোটের পরে — কচ্ছপ। এজেন্সি যেন রিমোট কন্ট্রোল গাড়ি — চাবি দিলেই ছুটবে, না দিলে থেমে থাকবে। রাজনীতির ব্যাটারি — খুবই সিলেক্টিভ! বিজেপি এই এজেন্সিগুলোকে রিমোট কন্ট্রোলের মতো ব্যবহার করে তৃণমূলকে শাসায়। উদ্দেশ্য একটাই — তৃণমূলকে এমন ভয় পাইয়ে রাখা, যেন তারা জাতীয় স্তরে বিরোধী জোটে গিয়ে বেশি তড়পাতে না পারে। তৃণমূলও জানে, একটু চুপচাপ থাকলে ভাইপো এজেন্সির তাড়া কম খাবে। এটাই তো রাজনীতির মিউচুয়াল আন্ডারস্ট্যান্ডিং! বিউটিফুল!!
পলিটিক্যাল লাইফ ইনস্যুরেন্স
একজন ভয় দেখায় — ‘ওরা আসছে!’ আরেকজন বলে— ‘ওদের থেকে বাঁচাও!’ এতে দু’পক্ষেরই লাভে — ক্ষতি শুধু দর্শকের। এ যেন দুই দোকানদার — একই মাল, আলাদা সাইনবোর্ড। দিদি দেখান ‘বিজেপি জুজু’, আর মোদীজি দেখান ‘সংখ্যালঘু তোষণ’। ব্যস! হিন্দু-মুসলিম বাইনারিতে মাঠ গরম। এতে লাভ কিন্তু দুই পক্ষেরই। তৃণমূল মুসলিম ভোট নিশ্চিত করে, আর বিজেপি উগ্র মুসলিম বিরোধিতার জিগির তুলে হিন্দু ভোট সংহত করে। মাঝখান থেকে যারা মানুষের জীবন যন্ত্রণার আসল ইস্যু নিয়ে লড়াই করে — সেই বামপন্থী বা অন্য শক্তিগুলো খেলার মাঠ থেকে ‘আউট’। হিন্দু-মুসলমান গরিব মানুষ – বলি কা বখরা! এটা এক ধরনের রাজনৈতিক ইনস্যুরেন্স। দুই ফুল মিলে এক বাগানে খেলছে, যাতে তৃতীয় কোনো ফুল ফুটতে না পারে।
রাজভবন-নবান্ন ‘মউ’ও সেই বিখ্যাত টি-পার্টি
বাইরে ঝগড়া — ভেতরে চা। দার্জিলিংয়ের কুয়াশায় চুক্তি, আর সমতলে নাটক। চায়ের কাপে ঝড় নয় – সমঝোতা। জগদীপ ধনখড় সাহেব যখন রাজ্যপাল ছিলেন, তখন রোজকার ঝগড়াটা ছিল এক কথায় ফাটাফাটি! পাবলিক ভাবতো — এই বুঝি রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হলো। কিন্তু আসল খেলাটা হয়েছিল দার্জিলিংয়ের সেই কুয়াশা ঘেরা সকালের টি-পার্টিতে। রাজভবনের সংঘাত মেটাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, জগদীপ ধনখড় আর হিমন্ত বিশ্বশর্মা এক টেবিলে চা খেলেন। ফল কী? ধনখড় সাহেব উপরাষ্ট্রপতি পদে বিজেপি’র প্রার্থী হলেন, আর তৃণমূল ভোটদানে বিরত থেকে তাঁর জয়ের পথ সুগম করে দিল। একেই বলে ‘পারস্পরিক পুরস্কার দান’। দার্জিলিং চায়ের স্বাদ গন্ধই আলাদা, কী বলেন!
প্রশাসনিক ‘গিভ অ্যান্ড টেক’ ও নর্থ ব্লকের প্রণাম
বাইরে আন্দোলন, ভেতরে প্রণাম। টেবিলের ওপর হিসাব, টেবিলের নিচে সমঝোতা। এটা আসলে ‘ডাবল এন্ট্রি বুককিপিং’। বাইরে বঞ্চনার কান্না, পাওনা টাকার জন্য রাজপথে আন্দোলন, আর ওদিকে নর্থ ব্লকে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে আশীর্বাদ নেওয়া। বকেয়া টাকার দোহাই দেখিয়ে যে একান্ত বৈঠকগুলো হয়, সেগুলোকেই বলে ‘সেটিং বৈঠক’। টেবিলের ওপরে ১০০ দিনের কাজের হিসাব, আর টেবিলের তলায় চলে রাজনৈতিক আদান-প্রদান — কাকে ছাড়া হবে আর কাকে ধরা হবে তার ব্লু-প্রিন্ট। নবান্ন আর নর্থ ব্লকের এই দূরত্বটা আসলে লোক দেখানো। আপনি ভাবছেন চলছে রুদ্ধশ্বাস গ্রাঁপ্রি’র কার রেসিং? না, না! ওটা স্রেফ একটা হাইওয়ে, যেখানে সমঝোতার গাড়ি হাত ধরাধরি করে দেদার স্পীডে ছোটে।
ইভিএম বনাম গান্ধী মূর্তি
সবাই একজোট — কিন্তু কেউ কেউ আলাদা। ফলাফল? ঐক্যে ফাটল। আর তাতে হাসি কার মুখে — তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। যখন সারা দেশের সব বিরোধী দল একজোট হয়ে ইভিএম কেলেঙ্কারি বা আদানি কাণ্ড নিয়ে সংসদের ভেতরে নরেন্দ্র মোদীকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করে, তৃণমূল তখন কায়দা করে আলাদা হয়ে যায়। তারা বলে, ‘আমরা কারো লেজুড় নই’। তারা গিয়ে গান্ধী মূর্তির নিচে একা একা ধরনা দেয়। মোদি-দিদি’র ভক্তকুল মিডিয়া সেটা দেখাতেই তখন ব্যাকুল! এর ফল কী? বিরোধী ঐক্য ভেঙে দু’টুকরো। মোদীজি হাসেন আর ভাবেন — আহা, দিদি পাশে থাকলে আর চিন্তা কী! বিরোধী জোটে ফুটো করাই তো এই বিচিত্র নাটকের আসল ক্লাইম্যাক্স!
অশ্বডিম্ব প্রসব
বাংলার রাজনীতির এই মহানাটকে 'দিদি-মোদী'র রসায়নটি ঠিক যেন সেই পুরনো বাংলা সিনেমার ভিলেন আর পুলিশের সমঝোতা — ক্যামেরার সামনে প্রচণ্ড হুঙ্কার, আর আড়ালে বসে একই থালায় রসগোল্লা ভাগাভাগি! একদিকে যখন রাজপথ 'বিচার চাই' স্লোগানে উত্তাল, তখন সিবিআই-এর তদন্তের গতি দেখে মনে হচ্ছে তারা যেন কচ্ছপের চাইতেও ধীরগতিতে দৌড়াবার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। একদল প্রমাণ লোপাটের অলিম্পিকে সোনা জিতছে, আর অন্যদল 'তদন্ত চলছে' নামক এক অনন্ত জপমন্ত্রে মশগুল হয়ে জনরোষের আগুনে জল ঢেলছে। অনেক হইচই করে, অবশেষে বিজেপি’র তোতা পাখী সিবিআই অবশেষে কলকাতা পুলিশের এই নৃশংস বর্বর ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার রিপোর্টকেই সঠিক বলে ঘোষনা করে বৃহৎ একটি অশ্বডিম্ব প্রসব করলো। আসলে, এই সেটিং তো এক অদ্ভুত ‘রাজনৈতিক ইনস্যুরেন্স’; যেখানে তিলোত্তমার বিচার পাওয়াটা গৌণ, বরং ২০২৬-এর ভোটবাক্সে কার পাল্লা কতটা ভারী হবে আর কাকে বাঁচালে কার গদি সুরক্ষিত থাকবে, সেই মহাজাগতিক হিসেব মেলাতেই দুই মেরুর দুই কারিগর এখন গভীর আলিঙ্গনে ব্যস্ত। দিনশেষে আমজনতার কাজ হলো মোমবাতি জ্বালানো, আর রাজনীতির মঞ্চে দুই 'শত্রু'র এই মধুর লুকোচুরি দেখে হতবাক হওয়া!
শ্যাডো বক্সিং
বাইরে যুদ্ধ, ভেতরে বন্ধুত্ব। চিৎকার আছে, কিন্তু কামড় নেই। কিন্তু জনতা গ্যালারিতে বসে ভাবছে — ‘দারুণ লড়াই!’ আর খেলোয়াড়রা? আগেই ঠিক করে রেখেছে — কে কখন আউট হবে। পোষ্য বাজারি মিডিয়ায় চলে হাত-পা ছুঁড়ে উৎকট চীৎকারে ঘেমে নেয়ে তারই ভয়ঙ্কর উত্তেজনাকর ধারাবিবরনী – যেন প্রাচীন রোমের কলোসিয়ামে চলছে দুই গ্ল্যাডিয়েটরের চরম যুদ্ধ। আসলে এ হলো ‘ছায়া যুদ্ধ’। এখানে সত্যি আর অভিনয়ের ফারাকটা এত সূক্ষ্ম — যে মাঝে মাঝে মনে হয়, আমরা বোধহয় আসল নাটকের ‘এক্সট্রা’। এবারের তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় চোখ রাখলেই পাওয়া যাবে অন্তত ৪ ডজন বিজেপি’র লোক আবার বিজেপি’র তালিকাতেও এমন সব মণি মাণিক্যের ছড়াছড়ি। এদের কথা ভেবেই কি রবি ঠাকুর লিখেছিলেন - শুধু যাওয়া-আসা, শুধু স্রোতে ভাসা…!
তাই বলি — তালি দেওয়ার আগে একবার পর্দার আড়ালটা দেখে নিন। নইলে শেষে বুঝবেন — লড়াইটা ছিল ছায়ার সঙ্গে, আর বাস্তবটা - চা-বিস্কুটে মাখনের মতো মাখামাখি!
দেশহিতৈষী পত্রিকায় প্রকাশিত
প্রকাশ: ১৩-এপ্রিল-২০২৬
শেষ এডিট:: 13-Apr-26 08:16 | by 3
Permalink: https://cpimwestbengal.org/the-drum-of-the-media-the-perfection-of-the-setting-let-it-go-in-the-bengali-crowd! - exists in postID 32185
Categories: Fact & Figures
Tags: adani mamata, godimedia, bjp tmc nexus
বিভাগ / Categories
- Booklets - পুস্তিকা (4)
- Campaigns & Struggle - প্রচার ও আন্দোলন (147)
- Corporation Election - পৌরসভা নির্বাচন (6)
- Current Affairs - সাম্প্রতিক ঘটনাবলী (130)
- External Links - প্রাসঙ্গিক লিংক (4)
- Fact & Figures - তথ্য ও পরিসংখ্যান (78)
- Highlight - হাইলাইট (97)
- International - আন্তর্জাতিক (3)
- Party Documents - পার্টি পুস্তিকা (3)
- People-State - জনগণ-রাজ্য (6)
- Press Release - প্রেস বিজ্ঞপ্তি (155)
- Programme - কার্যক্রম (1)
- Truth Beneath - তথ্য (18)
- Uncategorized - অশ্রেণীভুক্ত (339)
সাম্প্রতিক পোস্ট / Latest Posts
বাংলার বিকল্প পরিবেশ ভাবনা ও উন্নয়নের অভিমুখ
- সৌরভ চক্রবর্ত্তী
পশ্চিমবাংলার ক্রীড়ানীতি ও বিপল্প প্রস্তাব
- সুমিত গঙ্গোপাধ্যায়
তথ্য প্রযুক্তি এ আই আমাদের রাজ্যে সম্ভাবনা
- নন্দিনী মুখার্জি
প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি
- ওয়েবডেস্ক





